এখনই কল করুন
প্রয়োজনীয় তথ্য ও সহায়তা নিন,
আরও যুক্ত হন আমাদের SQUARE Diabetes Care কমিউনিটিতে — একদম বিনামূল্যে।
আরও যুক্ত হন আমাদের SQUARE Diabetes Care কমিউনিটিতে — একদম বিনামূল্যে।

ডায়াবেটিস: একটি নীরব মহামারী
সারা বিশ্বে প্রতি ৯ জনে ১ জন ডায়াবেটিসে আক্রান্ত
প্রাপ্তবয়স্ক জনসংখ্যা (২০–৭৯ বছর)
১১.৩১ কোটি
চিহ্নিত রোগী
১.৩৯ কোটি
অশনাক্ত রোগী
৩৯.১%
ডায়াবেটিসের প্রাদুর্ভাব
১২.৩%
Type 1 ডায়াবেটিস রোগী (১০-২৫ বছর)
৭,৪২৫ জন
২০৫০ সালের মধ্যে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হবেন ২.৩ কোটি প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ
অ্যানসুপেন টুইস্ট

কনটোর প্লাস

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
আপনার সাধারণ প্রশ্নগুলোর উত্তর এখানে দেওয়া হলো, যাতে আপনি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন।
আরও জানতে চান?
আমাদের সহায়তা টিমের সঙ্গে যোগাযোগ করুনQ1: রোজা রেখে সুগার টেস্ট/ ইনসুলিন নেওয়া যাবে?
দেশি-বিদেশি বিজ্ঞ আলেম অভিমত পেশ করেছেন যে, রোজা রেখে সুগার টেস্ট করলে/ ইনসুলিন নিলে রোজা ভঙ্গ হয় না।
Q2: কী কারণে রোজা না রাখার অনুমতি আছে?
- যদি কেউ শরিয়ত সম্মত সফরে থাকে, তাহলে তার জন্য রোজা না রাখার অনুমতি আছে; পরে কাজা করে নিতে হবে। কিন্তু সফরে যদি কষ্ট না হয়, তাহলে রোজা রাখাই উত্তম। আর যদি কোনো ব্যক্তি রোজা রাখার নিয়ত করার পর সফর শুরু করে, তাহলে সে দিনের রোজা রাখা জরুরি।
- কোনো রোগী ব্যক্তি রোজা রাখলে যদি তার রোগ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা হয় অথবা অন্য কোনো নতুন রোগ দেখা দেওয়ার আশঙ্কা হয় অথবা রোগ মুক্তি বিলম্বিত হওয়ার আশঙ্কা হয়, তাহলে রোজা ছেড়ে দেওয়ার অনুমতি আছে। সুস্থ হওয়ার পর কাজা করে নিতে হবে। তবে রোজা ছাড়তে হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। শুধু নিজের কাল্পনিক খেয়ালের বশীভূত হয়ে আশঙ্কাবোধ করে রোজা ছাড়া দুরস্ত হবে না। তাহলে কাজা ও কফ্ফারা উভয়টা ওয়াজিব হবে।
- রোগ মুক্তির পর যে দুর্বলতা থাকে তখন রোজা রাখলে যদি পুনরায় রোগাμান্ত হওয়ার প্রবল আশংকা হয়, তাহলে তখন রোজা না রাখার অনুমতি আছে, পরে কাযা করে নিতে হবে।
- রোগ মুক্তির পর যে দুর্বলতা থাকে তখন রোজা রাখলে যদি পুনরায় রোগাক্রন্ত হওয়ার প্রবল আশঙ্কা হয়, তখন রোজা না রাখার অনুমতি আছে, পরে কাজা করে নিতে হবে।
- গর্ভাবস্থায় ও দুগ্ধ দানকালে স্ত্রীলোক রোজা রাখলে যদি নিজের জীবনের ব্যাপারে বা সন্তানের জীবনের ব্যাপারে আশঙ্কা বোধ করে বা রোজা রাখলে দুধ শুকিয়ে যাবে আর সন্তানের কষ্ট হবে- এরূপ নিশ্চিত হয়, তাহলে তার জন্য তখন রোজা ছাড়া জায়েজ, পরে কাজা করে নিতে হবে।
- হায়েজ নেফাস অবস্থায় রোজা ছেড়ে দিতে হবে এবং পবিত্র হওয়ার পর কাজা করে নিতে হবে।
Q3: কী কারণে রোজা শুরু করার পর তা ভেঙে ফেলার অনুমতি রয়েছে?
- যদি এমন পিপাসা বা ক্ষুধা লাগে যাতে প্রাণের আশঙ্কা দেখা দেয়, তাহলে রোজা ভেঙে ফেলার অনুমতি আছে।
- যদি এমন কোনো রোগ বা অবস্থা দেখা দেয় যে, ওষুধ–পত্র গ্রহণ না করলে জীবনের আশা ত্যাগ করতে হয়, তাহলে রোজা ভেঙে ফেলার অনুমতি আছে।
- গর্ভবতী স্ত্রীলোকের যদি এমন অবস্থা হয় যে, নিজের বা সন্তানের প্রাণ নাশের আশঙ্কা হয়, তাহলে রোজা ভেঙে ফেলার অনুমতি আছে।
- বেহুঁশ বা পাগল হয়ে গেলে রোজা ভেঙে ফেলার অনুমতি আছে।
Q4: কাদের রোজা রাখা সমীচীন হবে না?
যাদের নিম্নলিখিত সমস্যা আছে তাদের রোজা রাখা সমীচীন হবে না :
- ডায়াবেটিস জনিত মারাত্মক কিডনি রোগ।
- ডায়াবেটিস জনিত চোখের রেটিনার মারাত্মক সমস্যা।
- হাইপোগ্লাইসেমিয়ায় “টের না পাওয়ার” সমস্যা।
- ডায়াবেটিস জনিত বড় রক্ত নালীর মারাত্মক সমস্যা (যেমন : স্ট্রোক, হার্ট এ্যাটাক)
- সাম্প্রতিক কালে “ডায়াবেটিক কোমা” হওয়া
- সম্পূর্ণ অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস
- দিনে যাদের অনেকবার ইনসুলিন নিতে হয়
- গর্ভাবস্থায় ও দুগ্ধ দানকালে
- পাকস্থলির ও ডুওডেনামে আলসার
- মারাত্মক ফুসফুসের যক্ষ্মা রোগ
- মারাত্মক সংক্রমণ
- মারাত্মক অ্যাজমা বা শ্বাসকষ্ট (অ্যাজমা নিয়ন্ত্রণে থাকলে রোজা রাখতে বাধা নেই)
- শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে বার বার পাথর হওয়া
- ক্যানসার জনিত কারণে মারাত্মক শারীরিক দুর্বলতা
- সাম্প্রতিক মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশান বা হার্ট অ্যাটাক
- মারাত্মক মানসিক রোগ (যেমন সিজোফ্রেনিয়া)
মারাত্মক লিভারের সমস্যা
ডায়াবেটিস কেয়ার কমিউনিটিতে যোগ দিন
ডায়াবেটিসে আক্রান্ত অন্যদের সঙ্গে যুক্ত হোন, গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ নিন, আপনার অভিজ্ঞতা শেয়ার করুন এবং স্কয়ারের স্বাস্থ্য কার্যক্রম সম্পর্কে হালনাগাদ থাকুন।
